জব এবং ফ্যামিলি সামলানোর পরেও IELTS এর প্রস্তুতি নিবেন কিভাবে?

জব এবং ফ্যামিলি সামলানোর পরেও IELTS এর প্রস্তুতি নিবেন কিভাবে?

একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর যেকোনো ব্যক্তির জীবন তার পরিবার এবং কাজের আশে পাশেই সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। যার কারনে আর আগের মতো নিজের গ্রোথ এর পেছনে সময় দেয়া হয়ে উঠে না৷ কিন্তু এতে করে যে আপনি পিছিয়ে পড়ছেন তা কি জানেন? পরিবার এবং কাজের পাশাপাশি নিজের development এর জন্য ও সময় বের করা খুব জরুরি। যারা দেশের বাইরে সেটেল হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তার মধ্যে অনেকেই শুধুমাত্র IELTS এর প্রতি ভয়ে কারনে হাত পা গুটিয়ে নেন। অথচ IELTS এর প্রিপারেশন নেয়া খুবই সহজ। পরিবার এবং চাকরির পাশাপাশি প্রতিদিন নিজের জন্য স্বল্প কিছু সময় বের করে নিয়েই আপনি খুব শীঘ্রই IELTS এর প্রিপারেশন নিতে পারবেন। IELTS test মোট ৪টি সেক্টর নিয়ে হয়। সেক্টর গুলো হলো Listening, Reading, Speaking এবং Writing. চলুন তাহলে জেনে নেই কিভাবে আপনি প্রতিটি সেক্টরে মিনিমাম ব্যান্ড স্কোর অর্জন করতে পারবেন।

Listening: ফ্রি টাইমে বসে পডকাস্ট, ইংরেজি মুভি/ সিরিজ, ইউটিউব ভিডিও শুনতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি pronunciation এর সাথে নিজেকে পরিচিত করতে পারবেন। চেষ্টা করবেন অডিও রেকর্ড শোনার সময় তা নোট নেয়ার। পুরো প্র‍্যাক্টিস টাইমে নিজের ফোকাস ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। IELTS এর প্রিপারেশন এ ফোকাস এর credit সবচেয়ে বেশি। এর পাশাপাশি নিজেকে টাইম লিমিট দিয়ে প্র‍্যাক্টিস টেস্ট এর সাহায্য নিতে পারেন। Listening প্রিপারেশন এর সময় যা শুনছেন তা নিজে বলার চেষ্টা করুন। এতে আপনার রিডিং এর প্রিপারেশন ভালো হবে।

Reading: রিডিং স্কিল improve করতে প্রচুর পরিমাণে বই, ম্যাগাজিন, পত্রিকা পড়তে হবে। অপরিচিত শব্দ গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবেন। প্র‍্যাক্টিস সেশনের জন্য নির্দিষ্ট টাইম বরাদ্দ রাখবেন। মনে রাখবেন রিডিং এর উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনি কত দ্রুত এবং সঠিক উচ্চারণের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট লিখা পড়তে পারছেন। তাই রিডিং এর ক্ষেত্রে কি পড়ার চেষ্টা করছেন তা শোনা খুব জরুরি। এতে নিজের ভুল সহজেই বের করতে পারবেন।

Writing: রাইটিং সেক্টর এর মূল উদ্দেশ্য হলো আপনি কতটা স্পষ্ট এবং শুদ্ধভাবে নিজের আইডিয়া বা ধারনাটি লিখার মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারেন। এর জন্য আপনার vocabulary অনেক বেশি উন্নত হওয়া প্রয়োজন। তাই এক্ষেত্রে আপনার রিডিং এর প্রিপারেশন অনেক বেশি হেল্প করবে৷ মাথায় রাখবেন আপনি রিডিং এর জন্য যত ভালো ভাবে প্রিপারেশন গ্রহণ করবেন আপনার রাইটিং তত বেশি upgrade হবে। এর পাশাপাশি সময়ের মধ্যে পুরো বিষয়টি লিখতে পারা জরুরি। তাই প্রতিদিন নিজেকে টাইম লিমিট সেট করে দিয়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে লিখুন। প্রতিদিন লিখতে থাকলে আপনার লিখার স্পিড বৃদ্ধি পাবে এবং রাইটিং এর প্রিপারেশন হয়ে যাবে।

Speaking: IELTS এর ক্ষেত্রে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায় speaking সেক্টরকে। কিন্তু ইংরেজির ক্ষেত্রে এই সেক্টরটিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। এই সেক্টরে নিজেকে পারদর্শী করে তুলতে ইংরেজিতে কথা বলার কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে আপনি যদি listening এবং reading এর সময় ইংরেজি উচ্চারণে নিজেকে পারদর্শী করে তুলতে পারেন তবে তা আপনাকে speaking প্র‍্যাক্টিস এ এগিয়ে রাখতে সাহায্য করবে। 

কানাডার ইমিগ্রেশন এর ক্ষেত্রে IELTS এর কোনো বিকল্প নেই। তাই বলে কি স্বপ্ন বাদ দেয়া উচিত? একদমই না। বেটার ইনকাম, বেটার লাইফস্টাইলের যদি সুযোগ পান তবে কেন নিজের ভয়ের কারনে ছেড়ে দেবেন? IELTS এর প্রতি যে ভয়টা কাজ করে সবার তা খুব সহজেই দূর করা সম্ভব নিজের মধ্যে positive mindset বিল্ড করে। পরিবার এবং চাকরির পাশাপাশি প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট সময় নিজেকে দিলেই আপনি খুব দ্রুতই IELTS test দেয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারবেন। তাই IELTS নিয়ে আর কোনো ভয় বা জড়তা নয়। IELTS প্র‍্যাক্টিসের মাধ্যমে আজই আপনার কানাডার পার্মানেন্ট রেসিডেন্সির জার্নি শুরু করুন।

Leave a Comment